হোমপেজ লোড হচ্ছে…
রান তাড়ায় আরেকবার নিউ জিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজে আরও এগিয়ে গেল ভারত।

ফের ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন গ্লেন ফিলিপস ও বেভান জ্যাকবস। তাদের পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংসে লড়ার মতো পুঁজি গড়ল নিউ জিল্যান্ড। পরে মিচেল স্যান্টনারের দুর্দান্ত বোলিংয়ে জয়ের আশাও জাগাল তারা। কিন্তু তিলাক ভার্মা ও নিতিশ কুমার রেড্ডির চমৎকার ব্যাটিংয়ে আরেকবার কিউইদের হারিয়ে সিরিজে আরও এগিয়ে গেল ভারত।
ক্রাইস্টচার্চে শনিবার সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে চার উইকেটে জিতেছে ভারত। নিউ জিল্যান্ডের ১৮০ রান এক বল বাকি থাকতে পেরিয়ে গেছে সফরকারীরা।
পাঁচ ম্যাচের সিরিজের এখন ২-০ তে এগিয়ে আছে ভারত। একই মাঠে প্রথম ম্যাচে নিজেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের সর্বোচ্চ রান তাড়া করার রেকর্ড গড়ে ৪ উইকেটে জিতেছিল তারা।
রান তাড়ায় যখন ষষ্ঠ উইকেট হারায় ভারত, তখনও ৩১ বলে ৬৯ রান চাই তাদের। সেখান থেকে বাকি পথ পাড়ি দেন তিলাক ও নিতিশ। তাদের ৩০ বলে ৬৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে কাঙ্ক্ষিত ঠিকানায় পৌঁছে যায় দল।
একটি ছক্কা ও ছয়টি চারে ২৬ বলে ৫১ রান করে দলের জয় সঙ্গে নিয়ে ফেরেন তিলাক। একটি করে ছক্কা-চারে ১৩ বলে ২৬ রান করেন নিতিশ।
টানা দ্বিতীয় ফিফটিতে ৭০ রান করেন নিউ জিল্যান্ডের ফিলিপস। তার ৪৩ বলের ইনিংস গড়া চারটি করে ছক্কা-চারে। আগের ম্যাচে ভালো শুরু পেলেও ফিফটি করতে না পারা জ্যাকবস এবার করেন একটি ছক্কা ও পাঁচটি চারে ৫৮।
দারুণ বোলিংয়ে স্রেফ ২১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন স্যান্টনার। কিন্তু তাদের সবার চেষ্টা বিফলে গেল তিলাক আর নিতিশের কারণে।
হ্যাগলি ওভালে শেষের মতো শুরুটাও ভালো ছিল না নিউ জিল্যান্ডের। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে পাওয়ার প্লেতেই টপ অর্ডারের তিনজনকে হারায় তারা, ৪১ রানে। যেখানে ড্যারিল মিচেলকে ফিরিয়ে প্রায় চার বছর পর ভারতের জার্সিতে উইকেটের স্বাদ পান ভুবনেশ্বর কুমার।
চাপে পড়া দলকে ফের টানেন ফিলিপস ও জ্যাকবস। আগের ম্যাচে ৭৩ রানের জুটি গড়া এই যুগল এবার বন্ধন গড়েন ১১৬ রানের। যদিও তাদের জুটি ভাঙার সুযোগ আরও আগেই পায় ভারত। একাদশ ওভারে জ্যাকবসের ক্যাচ ছাড়েন শ্রেয়াস আইয়ার। তখন ২০ রানে খেলছিলেন জ্যাকবস।
ভুবনেশ্বরকে চার মেরে ৩৩ বলে ফিফটি স্পর্শ করেন ফিলিপস। জ্যাকবসের পঞ্চাশ আসে ৪০ বলে, প্রিন্স ইয়াদাভকে চার মেরে। ১৮তম ওভারে ফিলিপসকে বিদায় করে তাদের প্রতিরোধ ভাঙেন আর্শদিপ সিং। পরের ওভারে জ্যাকবসকেও ড্রেসিং রুমে পাঠান নিতিশ।
বোলিংয়ে নিউ জিল্যান্ডের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। প্রথম ওভার মেডেন দেন ম্যাট হেনরি। দ্বিতীয় ওভারে আভিশেককে ফেরান জ্যাকব ডাফি, কিন্তু তিনি ‘ওভারস্টেপ’ করায় হয় ‘নো বল।’ শূন্য রানে জীবন পেয়ে পরের দুই বলে দুটি চার হাঁকান আভিশেক।
পঞ্চম ওভারে সাঞ্জু স্যামসনকে বিদায় করে ৪০ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ডাফিই। ইশান কিষানের চোটে একাদশে ফেরা বৈভাব সুরিয়াভানশিকে এদিন তিনে খেলায় ভারত। মুখোমুখি তৃতীয় বলে ক্যাচ দেন এই ব্যাটিং বিস্ময়, কিন্তু তা নিতে পারেননি জ্যাকবস।
২ রানে জীবন পাওয়া সুরিয়াভানশি ফিরে যান পরের ওভারেই, ন্যাথান স্মিথের বলে। স্যান্টনারকে স্লগ সুইপ করে বাউন্ডারিতে ধরা পড়েন আভিশেক। নিজের পরের ওভারে জোড়া শিকার ধরেন স্যান্টনার। শ্রেয়াসকেও বোল্ড করার এক বল পর এই স্পিনার ফেরান আকসার প্যাটেলকে।
আগের ম্যাচের সেরা ক্রিকেটার নামান ধির নেমে আগ্রাসী শুরু করেন। এবার আর তাকে ইনিংস বড় করতে দেননি স্যান্টনার। তিনটি ছক্কা ও একটি চারে ৩১ রান করে ফেরেন নামান।
এরপর শুরু তিলাক ও নিতিশের জুটির পথচলা। শুরুতে কিছুটা মন্থর ছিলেন তিলাক, প্রথম ৯ বলে ১০ রান করেন তিনি। পরে ১৯তম অয়ারে স্মিথকে তিনটি চার ও একটি ছক্কায় ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিলাক। শেষ ওভারে ১১ রানের প্রয়োজনে তার ব্যাটেই লক্ষ্যে পৌঁছায় ভারত।
পিএসজির মাঠে হার ভুলে রেয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে জয়ে নজর বার্সেলোনা কোচ।
সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ওয়েলিংটনে, আগামী মঙ্গলবার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নিউ জিল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৮০/৫ (সাইফার্ট ৭, অ্যালেন ১৬, মিচেল ৬, ফিলিপস ৭০, জেকবস ৫৮, স্যান্টনার ৪*, ব্রেসওয়েল ১০*; ভুবনেশ্বর ৪-০-৫০-১, আর্শদিপ ৪-০-৩৩-২, প্রিন্স ৪-০-৩০-১, নামান ১-০-৭-০, আকসার ৪-০-২৮-০, নিতিশ ৩-০-৩১-১)
ভারত: ১৯.৫ ওভারে ১৮১/৬ (স্যামসন ১৪, আভিশেক ২৭, সুরিয়াভানশি ৪, শ্রেয়াস ৭, আকসার ১১, তিলাক ৫১*, নামান ৩১, নিতিশ ২৬*; হেনরি ২-১-১১-০, ডাফি ৩.৫-০-৪১-১, ফার্গুসন ৩-০-৩৭-০, ব্রেসওয়েল ৪-০-৩৫-০, স্মিথ ৩-০-৩৪-১, স্যান্টনার ৪-০-২১-৪)
ফল: ভারত ৪ উইকেটে জয়ী
ম্যান অব দা ম্যাচ: তিলাক ভার্মা
সিরিজ: ৫ ম্যাচের সিরিজে ২-০তে এগিয়ে ভারত
বাংলাদেশ দলের টানা ব্যাটিং ব্যর্থতায় প্রবল সমালোচনার মুখে ছিলেন সাবেক এই অধিনায়ক।
বাংলাদেশ দলের টানা ব্যাটিং ব্যর্থতায় প্রবল সমালোচনার মুখে ছিলেন সাবেক এই অধিনায়ক।
রেয়াল মাদ্রিদ কোচের মতে, তারা পূর্ণাঙ্গ একটি দল হয়ে ওঠা থেকে এখনও অনেক দূরে আছেন।