হোমপেজ লোড হচ্ছে…

বন্ড সুবিধার ‘অপব্যবহার’, কাঁচামাল ও প্রক্রিয়াজাত তামাক পণ্যের পরিমাণে অসঙ্গতি এবং রাজস্ব ফাঁকির ‘আশঙ্কায়’ চট্টগ্রাম বন্দরে আসা ১৫০ টন কাঁচা তামাকের একটি চালান আটক করা হয়েছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর বুধবার চালানটি আটকের পর বৃহস্পতিবার বিকালে নগরীর আগ্রাবাদে সিজিও ভবন-২ এ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানায়।
কুষ্টিয়ার গ্লোবাল লিফ ট্যোবাকো লিমিটেড নামের কোম্পানিটি শতভাগ রপ্তানিকারক বন্ডেড ওয়্যারহাউজ প্রতিষ্ঠান।
২৮ অক্টোবর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের ২৮ সদস্যের একটি বিশেষ নিবারক দল প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করে তাদের সব উপকরণ, উৎপাদিত পণ্য ও প্রতিষ্ঠানে রক্ষিত দলিল যাচাই করে।
পরিদর্শনে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৩৬৯ কেজি কাঁচা তামাক কম পাওয়া যায়। এছাড়া ১৭ লাখ ২৫ হাজার ৬৭২ কেজি সেমি প্রক্রিয়াজাত তামাক বেশি পাওয়া যায়। এই দুই ক্ষেত্রে আদায়যোগ্য মুসকের পরিমাণ তিন কোটি ২৯ লাখ ৯ হাজার টাকা।
এসব বিষয় উল্লেখ করে বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ বলেন, “বন্ড লাইসেন্স সুবিধার অপব্যবহারের কিছু তথ্য আমরা পেয়েছি। কিছু আমদানিকৃত পণ্য অপসারণ করা হয়েছে। কিছু পণ্য হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি পাওয়া গেছে, যার পক্ষে কোনো বৈধ দলিল তাদের কাছে নেই।”
বুধবার চট্টগ্রাম বন্দরে ১০ কন্টেইনার ১৫০ টন কাঁচা তামাক চালান আটকের বিষয়ে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ বলেন, “এই চালানটি ১৭ অক্টোবর পাকিস্তান থেকে ছেড়ে আসে এবং চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায় ১৯ অক্টোবর।
“বন্দরে আসার পর যখন এটির বিল অব এন্ট্রি সাবমিট হয়, তবে কাস্টমস প্রসেস এখনো শুরু হয়নি। এমন অবস্থায় খবর আসার পর আমরা হস্তক্ষেপ করি।”
চালানটিতে ১৫০ টন তামাক পাওয়া গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, “এই কাঁচামাল ২১ কোটি ৪৩ লাখ শলাকা প্রিমিয়াম সিগারেট উৎপাদন সম্ভব, যার সম্ভাব্য খুচরা বাজারমূল্য প্রায় ৪৯৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।”
ঢাকায় প্রথম পর্বের আলোচনায় ১৩টি ওয়ার্কিং গ্রুপ এফটিএর সংশ্লিষ্ট অধ্যায়ের খসড়া পাঠ ও কাঠামোগত বিষয় পর্যালোচনা করে।
ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকায় বিক্রি হবে।
অপারেটরদের ‘সৃষ্ট’ কৃত্রিম সংকটের মুখে বিইআরসি কোনো পদক্ষেপ নেয়নি, অভিযোগ করেন জেরাকারীরা।
এর আগে দুই সপ্তাহে চার দফায় ২২ ক্যারেট সোনার দাম ভরিতে মোট ১০ হাজার ৪৩৯ টাকা কমানো হয়েছিল।