হোমপেজ লোড হচ্ছে…

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হারার পর ডানপন্থি সেনেটের ফ্লাভিও বোলসোনারো দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছেন।
একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, ব্রাজিল তার পাসপোর্ট বাতিল করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে উপস্থিত হন তিনি।
রোববারের নির্বাচনে তিনি ব্রাজিলের বর্তমান বামপন্থি প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দ্য সিলভার কাছে পরাজিত হন। লুলা ফ্লাভিওর দেশ ছাড়ার এই ঘটনাকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেছেন।
কথিত অর্থ পাচারের তদন্তের অংশ হিসেবে বোলসোনারোকে তার পাসপোর্ট জমা দিতে বলেছিল ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর মঙ্গলবার তার পাসপোর্ট বাতিল করা হয়। তখনই ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছিল, বোলসোনারো ব্রাজিল ছাড়তে পারেন।
অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন বোলসোনারো। তবে তার বিরুদ্ধে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ আনা হয়নি।
একাধিক সূত্র বিবিসি ব্রাজিল ও বিবিসি মুন্দোকে জানিয়েছে, বোলসোনারো ফ্লোরিডায় তার ছোট ভাই এদুয়োর্দোর কাছে পৌঁছেছেন। তবে কোনো পথে তিনি ব্রাজিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছেন, তা পরিষ্কার হয়নি।
এ বিষয়ে মন্তব্য জানার জন্য কোনো ভাইয়ের সঙ্গেই যোগাযোগ করতে পারেনি বিবিসি।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, নিউজ ওয়েবসাইট মেত্রোপলিসের এক প্রতিবেদনে বোলসোনারো পরিবারের ঘনিষ্ঠ লোকজনকে উদ্ধৃত করে জানানো হয়েছে, তিনি উড়োজাহাজ যোগে যুক্তরাষ্ট্রের গিয়েছেন। কিন্তু উড়োজাহাজটি কোথা থেকে রওনা হয়েছে সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
মেত্রোপলিসকে বোলসোনারোর ঘনিষ্ঠজনরা জানিয়েছেন, তিনি স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকালে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নামতে পারেন। তিনি রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।
“ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়েছে,” ওয়েবসাইটটি এমনটাই বলেছে।
প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের একজন উপদেষ্টা সিএনএনকে জানিয়েছেন, বোলসোনারোর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি অনুমোদন করেছেন ট্রাম্প।
আল জাজিরা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্প প্রশাসন ব্রাজিলীয় সেনেটর ও তার পরিবারকে ভিসা দেবে।
লুলা বোলসোনারোর পালিয়ে যাওয়ার আপাত সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “বোলসোনারো পরিবার ঠিক এই রকমই। ব্রাজিল তাদের দ্বিতীয় মাতৃভূমি।“
রাজধানী ব্রাজিলিয়ায় নিজের ৮১তম জন্মদিন উদযাপনের অনুষ্ঠানে লুলা এসব কথা বলেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের পক্ষ থেকে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার এবং ক্রুদেরকে অন্যতম শীর্ষ সম্মাননা ‘ফার্স্ট ক্লাস অর্ডার অব জায়েদ দ্বিতীয়’ দেওয়া হয়।
চক্রটি কুয়ালালামপুরের ক্লাং ভ্যালি অঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশিদের টার্গেট করে এই হুন্ডি ব্যবসা চালাত।
যে দু'টি ট্রেনের ধাক্কা লেগেছে সেটির একটিতে ছিলেন ১৪৭ জন যাত্রী এবং অপরটিতে ছিলেন ৩৯৭ জন যাত্রী। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি স্পেনে দ্বিতীয় প্রাণঘাতী ট্রেন দুর্ঘটনা।
যে দু'টি ট্রেনের ধাক্কা লেগেছে সেটির একটিতে ছিলেন ১৪৭ জন যাত্রী এবং অপরটিতে ছিলেন ৩৯৭ জন যাত্রী। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি স্পেনে দ্বিতীয় প্রাণঘাতী ট্রেন দুর্ঘটনা।