হোমপেজ লোড হচ্ছে…

লিবিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের পরিস্থিতি ও অনিয়মিত অভিবাসীদের দেশে ফেরানো নিয়ে দেশটির সেনাপ্রধানের সঙ্গে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের আলোচনা হয়েছে।
সোমবার লিবিয়ার সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল সালাহ আল-নামরুশের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ।
লিবিয়ার অনলাইন সংবাদমাধ্যম দ্য লিবিয়া অবজারভার মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠকে লিবিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিক ও কর্মীদের বিভিন্ন সমস্যা এবং সেগুলো আইনি কাঠামোর মধ্যে সমাধানের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়। অনিয়মিতভাবে লিবিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশিদের দেশে ফেরানোর বিষয়টিও আলোচনায় আসে।
দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তারা। এসময় বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সালাহ আল-নামরুশ।
এদিকে লিবিয়া থেকে বাংলাদেশিদের দেশে ফেরানোর কার্যক্রমও চলছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) যৌথ উদ্যোগে ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।
বাংলাদেশ দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, তাদের মধ্যে ৩৬ জন সাগরপথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টার সময় আটক হয়ে ত্রিপোলির তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ছিলেন। বাকি ১৩৮ জন ত্রিপোলির ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে ৪১ জন শারীরিকভাবে অসুস্থ।
এছাড়া বুধবার মিসরাতা শহর থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক আরও ১৭৫ জন বাংলাদেশিকে প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করার কথা জানিয়েছে দূতাবাস।
সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের পক্ষ থেকে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার এবং ক্রুদেরকে অন্যতম শীর্ষ সম্মাননা ‘ফার্স্ট ক্লাস অর্ডার অব জায়েদ দ্বিতীয়’ দেওয়া হয়।
চক্রটি কুয়ালালামপুরের ক্লাং ভ্যালি অঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশিদের টার্গেট করে এই হুন্ডি ব্যবসা চালাত।
যে দু'টি ট্রেনের ধাক্কা লেগেছে সেটির একটিতে ছিলেন ১৪৭ জন যাত্রী এবং অপরটিতে ছিলেন ৩৯৭ জন যাত্রী। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি স্পেনে দ্বিতীয় প্রাণঘাতী ট্রেন দুর্ঘটনা।
যে দু'টি ট্রেনের ধাক্কা লেগেছে সেটির একটিতে ছিলেন ১৪৭ জন যাত্রী এবং অপরটিতে ছিলেন ৩৯৭ জন যাত্রী। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি স্পেনে দ্বিতীয় প্রাণঘাতী ট্রেন দুর্ঘটনা।