হোমপেজ লোড হচ্ছে…

বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে সম্পর্ক বাড়াতে দুই দেশের মধ্যে ‘সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ’ গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সংসদীয় কূটনীতি জোরদার, নিয়মিত যোগাযোগ স্থাপন এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
বুধবার মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে দেশটির জাতীয় আইনসভা ‘পিপল’স মজলিস’-এর স্পিকার আবদুল রহিম আবদুল্লাহর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করেন মালেতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম।
মালদ্বীপের জাতীয় আইনসভা ও বাংলাদেশ হাই কমিশনের পৃথক দুটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সম্পর্ক পুনর্ব্যক্ত করে স্পিকার আবদুল রহিম আবদুল্লাহ উভয় দেশের সংসদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারত্ব বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
হাই কমিশনার মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম বলেন, “এই সংসদীয় প্ল্যাটফর্ম গঠিত হলে দুই দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে সরাসরি সংলাপ ও সহযোগিতার নতুন পথ উন্মোচিত হবে। এতে আইন প্রণয়ন ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন আরও শক্তিশালী হবে, তেমনি অর্থনীতি, শিক্ষা, শ্রম অভিবাসন এবং জনগণের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও যোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রগুলোও সম্প্রসারিত হবে।”
মালদ্বীপের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসনীয় অবদানের কথা তুলে ধরে হাই কমিশনার দেশটির সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জবাবে স্পিকার আবদুল রহিম আবদুল্লাহও মালদ্বীপের অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকা স্মরণ করেন এবং প্রস্তাবিত সংসদীয় বন্ধুত্ব গ্রুপ গঠনের উদ্যোগটি বাস্তবায়নে ইতিবাচক সায় দেন।
উভয় দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির স্মারক বহনকারী পারস্পরিক উপহার বিনিময়ের মাধ্যমে আলোচনা সভাটি শেষ হয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের পক্ষ থেকে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার এবং ক্রুদেরকে অন্যতম শীর্ষ সম্মাননা ‘ফার্স্ট ক্লাস অর্ডার অব জায়েদ দ্বিতীয়’ দেওয়া হয়।
চক্রটি কুয়ালালামপুরের ক্লাং ভ্যালি অঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশিদের টার্গেট করে এই হুন্ডি ব্যবসা চালাত।
যে দু'টি ট্রেনের ধাক্কা লেগেছে সেটির একটিতে ছিলেন ১৪৭ জন যাত্রী এবং অপরটিতে ছিলেন ৩৯৭ জন যাত্রী। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি স্পেনে দ্বিতীয় প্রাণঘাতী ট্রেন দুর্ঘটনা।
যে দু'টি ট্রেনের ধাক্কা লেগেছে সেটির একটিতে ছিলেন ১৪৭ জন যাত্রী এবং অপরটিতে ছিলেন ৩৯৭ জন যাত্রী। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি স্পেনে দ্বিতীয় প্রাণঘাতী ট্রেন দুর্ঘটনা।