হোমপেজ লোড হচ্ছে…

সার্বিয়ার শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ আন্দোলন যা করে দেখিয়েছে তা অন্য ইউরোপীয় রাজধানীগুলোর আন্দোলনকারীরা শুধু স্বপ্নেই দেখতে পারে, তারা আলেকসান্দার ভুচিচের মতো একজন দীর্ঘকালীন প্রভাবশালী নেতাকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। কিন্তু নির্বাচনে জয় পাওয়ার পর তাদের সামনে এখন দেশ পরিচালনার কঠিন কাজ, যার কোনো অভিজ্ঞতা তাদের নেই, আবার তাদের মনোনীত প্রার্থীদেরও নেই।
রোববারের ঐতিহাসিক নির্বাচনে ভুচিচ পরাজয় স্বীকার করে নেওয়ার পর দেশজুড়ে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিজয় উদযাপন করেন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারবিরোধী শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রায় দুই বছরের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে।
কিন্তু এই আনন্দোৎসবের মাঝেই কিছু প্রশ্ন ঘুরপাক খেতেই থাকল। এই নেতৃত্বহীন আন্দোলনের মধ্য থেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উঠে আসবেন কে? তাদের নীতিগুলো ঠিক কী হবে? কোনো রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নেই, এমন একদল ব্যক্তিদের একটি গোষ্ঠী কি ঐক্যবদ্ধ থেকে পারবে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে, দুর্নীতি নির্মূল করতে আর জটিল আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সামাল দিতে?
রয়টার্স লিখেছে, এই উত্তরগুলো নির্ধারণ করবে পশ্চিম বলকান অঞ্চলের বৃহত্তম অর্থনীতি সার্বিয়ার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। পাশাপাশি চীন, রাশিয়া ও তাদের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দেশটির সম্পর্কও নির্ধারণ করবে।
সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে টেনিও গ্লোবাল রিসার্চ বলেছে, “শিক্ষার্থীদের এই জয় দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপ, আইনের শাসন ও উন্নত জনসেবাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতিগত পরিবর্তনের সূচনা ঘটাতে পারে। কিন্তু সংস্কারের পথে আমলাতান্ত্রিক বাধা ও এই আন্দোলনের নেতৃত্বের শাসন পরিচালনার সীমিত অভিজ্ঞতা- এই বিষয়গুলো উত্তরণ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।”
বিজয়ী, কিন্তু তারা কি ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারবে?
সার্বিয়ার নভি সাদ শহরে ২০২৪ সালে একটি রেলস্টেশনের ছাউনি ধসে ১৬ জনের মৃত্যুর পর শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে আয়োজিত বিক্ষোভগুলোতে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা ও দুর্নীতি অবসানের দাবি জানানো হয়।
কোনো প্রধান নেতা না থাকার পরও শিক্ষার্থীরা ব্যাপক সমর্থন পায়। পরবর্তীতে নির্বাচনে তাদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য তারা শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, চিকিৎসক, অভিনেতা, কৃষক ও সংগীত শিল্পীদের মধ্য থেকে ২৫০ জনকে বেছে নেয়।
এই আন্দোলন এবং তাদের তালিকার শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন প্রার্থী তাদের লক্ষ্য সম্পর্কে কিছু ধারণা দেন। প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারকে কেন্দ্র করে দেশে দুর্নীতিবিরোধী কর্মসূচী বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন তারা।
তারা ২০০৮ সালে স্বাধীনতা ঘোষণা করা সার্বিয়ার সাবেক দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশে কসোভোকে স্বীকৃতি দেবে না। তারা ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) সার্বিয়ার যোগ দেওয়ার বিষয়ে একটি গণভোটের আয়োজন করতে চায়।
শিক্ষার্থীদের প্রার্থী তালিকার প্রধান ও উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ইলিয়া স্রদানভিচ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর দেয়ান শোশকিচ এবং বেলগ্রেড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাদোমির সাইচিচ। সাইচিচ নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের জয়ের পর তাদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন।
কিন্তু তাদের কেউ মন্ত্রীপদ পাবেন, এমন কোনো নিশ্চয়তায় নেই। আর দেখার বিষয়, এই প্রার্থীরা সুসংহত সরকার গঠন করে, দীর্ঘ সময় ধরে নীতিগত ঐকমত্য বজায় রেখে, নিজেদের সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে কাজে লাগিয়ে পরিবর্তন আনতে সক্ষম হন কি না।
বেলগ্রেড বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক অধ্যাপক কাতারিনা পোপোভিচ বলেছেন, “(শিক্ষার্থীদের আন্দোলন) সার্বিয়ার সংস্কৃতিতে এমন এক পরিবর্তন সৃষ্টি করেছে, আমাদের শুধু দেখতে হবে এটি টিকে থাকে কি না। আমরা শুধু আশা করি, তাদের এমন বড় বড় লক্ষ্য থাকবে যা এই ব্যবস্থা ভেঙে ফেলার মতো যথেষ্ট দীর্ঘ সময় ধরে তাদের ঐক্যবদ্ধ রাখবে।”
সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের পক্ষ থেকে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার এবং ক্রুদেরকে অন্যতম শীর্ষ সম্মাননা ‘ফার্স্ট ক্লাস অর্ডার অব জায়েদ দ্বিতীয়’ দেওয়া হয়।
চক্রটি কুয়ালালামপুরের ক্লাং ভ্যালি অঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশিদের টার্গেট করে এই হুন্ডি ব্যবসা চালাত।
যে দু'টি ট্রেনের ধাক্কা লেগেছে সেটির একটিতে ছিলেন ১৪৭ জন যাত্রী এবং অপরটিতে ছিলেন ৩৯৭ জন যাত্রী। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি স্পেনে দ্বিতীয় প্রাণঘাতী ট্রেন দুর্ঘটনা।
যে দু'টি ট্রেনের ধাক্কা লেগেছে সেটির একটিতে ছিলেন ১৪৭ জন যাত্রী এবং অপরটিতে ছিলেন ৩৯৭ জন যাত্রী। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি স্পেনে দ্বিতীয় প্রাণঘাতী ট্রেন দুর্ঘটনা।