হোমপেজ লোড হচ্ছে…

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বাংলাদেশি একটি কমিউনিটি সেন্টারকে মসজিদ হিসেবে ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে স্থানীয় ক্যাম্পবেলটাউন সিটি কাউন্সিল।
এর ফলে দক্ষিণ-পশ্চিম সিডনির মিন্টোতে অবস্থিত কেন্দ্রটিতে এখন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নামাজ আদায় ও ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ তৈরি হলো।
‘অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম ওয়েলফেয়ার সেন্টার ইনকরপোরেটেড’ (এএমডব্লিউসি) নামের এই কেন্দ্রটির জন্য ডেভেলপমেন্ট অ্যাপ্লিকেশন (ডিএ) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মিন্টোর ১৩–১৭ ইগলভিউ রোডে অবস্থিত কেন্দ্রটি ‘প্লেস অব পাবলিক ওয়ারশিপ’ বা জনসাধারণের উপাসনালয় হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে। এই অনুমোদনের ফলে ক্যাম্পবেলটাউন ও আশপাশের এলাকার মুসলিমদের ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ আরও বাড়বে।
এএমডব্লিউসির সভাপতি আনিসুল আফসার বলেন, “এই অর্জন সংগঠন তথা সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য আনন্দের ও তাৎপর্যপূর্ণ।”
অনুমোদন পাওয়ার পেছনে দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে তিনি ক্যাম্পবেলটাউন সিটি কাউন্সিলের মেয়র ও কাউন্সিলর, সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী, সংগঠনের নির্বাহী কমিটি এবং সাধারণ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর খান বলেন, “এএমডব্লিউসি একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে তরুণ প্রজন্মসহ সবার জন্য সঠিক দিকনির্দেশনা, শান্তি ও ঐক্যের সুযোগ থাকবে।”
অনুমোদন পাওয়ার আনন্দে মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজের পর কেন্দ্রটির প্রাঙ্গণে দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। দোয়া পরিচালনা করেন কেন্দ্রটির খতিব আবদুল হাদী তানভীর।
সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের পক্ষ থেকে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার এবং ক্রুদেরকে অন্যতম শীর্ষ সম্মাননা ‘ফার্স্ট ক্লাস অর্ডার অব জায়েদ দ্বিতীয়’ দেওয়া হয়।
চক্রটি কুয়ালালামপুরের ক্লাং ভ্যালি অঞ্চলে বসবাসরত বাংলাদেশিদের টার্গেট করে এই হুন্ডি ব্যবসা চালাত।
যে দু'টি ট্রেনের ধাক্কা লেগেছে সেটির একটিতে ছিলেন ১৪৭ জন যাত্রী এবং অপরটিতে ছিলেন ৩৯৭ জন যাত্রী। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি স্পেনে দ্বিতীয় প্রাণঘাতী ট্রেন দুর্ঘটনা।
যে দু'টি ট্রেনের ধাক্কা লেগেছে সেটির একটিতে ছিলেন ১৪৭ জন যাত্রী এবং অপরটিতে ছিলেন ৩৯৭ জন যাত্রী। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি স্পেনে দ্বিতীয় প্রাণঘাতী ট্রেন দুর্ঘটনা।