হোমপেজ লোড হচ্ছে…

টেস্ট দলের অনুশীলন শেষ হওয়ার পর বিকালের দিকে জাতীয় দলের কয়েকজন ক্রিকেটার ও কোচের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তামিম ইকবাল। হুট করে সিরিজ শুরুর আগে কী নিয়ে সেই আলোচনা? প্রধান কোচ ফিল সিমন্স জানালেন, দেশের ক্রিকেটের সার্বিক উন্নতি ছিল তাদের বৈঠকের মূল বিষয়।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে রোববার ওই আকস্মিক বৈঠকে বসেন তামিম। তবে সামনের এই সিরিজ নয়, বরং বাংলাদেশ ক্রিকেট এগিয়ে নেওয়ার জন্য করণীয় কী কী হতে পারে সেসব নিয়ে আলোচনা করেন সাবেক এই অধিনায়ক।
টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, সাদা বলের অধিনায়ক লিটন দাস, অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমের পাশাপাশি প্রধান কোচ সিমন্স ও অন্তর্বর্তীকালীন ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীনও ছিলেন তামিমের সঙ্গে আলোচনায়।
এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে জিম্বাবুয়ের কাছে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচ হারের পর আবু ধাবির ড্রেসিং রুমেই তাৎক্ষণিক বৈঠকে বসেছিলেন তামিম। দেশে ফিরে আবারও কী নিয়ে আলোচনা, সে বিষয়ে শুরু হয়েছে নানান জল্পনা-কল্পনা।
সোমবার দলের অনুশীলন শুরুর আগে সংবাদ সম্মেলনে সব কৌতূহলের অবসান ঘটালেন প্রধান কোচ সিমন্স।
“আমি সেখানে ছিলাম, ওই আলোচনায় উপস্থিত ছিলাম। সভায় মূলত আলোচনা হয়েছে, বাংলাদেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে আমাদের কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে, তা নিয়ে। আমার কাছে সভাটি খুবই ভালো মনে হয়েছে। আমরা কীভাবে তরুণ ক্রিকেটারদের গড়ে তুলতে পারি, বাংলাদেশ ক্রিকেটকে কীভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া যায়, সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। সিরিজ শুরুর আগে এমন বৈঠক দলের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে কিনা জানতে চাওয়া হয় সিমন্সের কাছে। উত্তরে এমন কোনো শঙ্কা উড়িয়ে দেন তিনি।
“বৈঠকটি খুবই ভালো হয়েছে। এটি (এই সিরিজের জন্য) কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। কারণ, এটি সিরিজ নিয়ে ছিল না। বরং বাংলাদেশের ক্রিকেটের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং কীভাবে ক্রিকেটকে আরও এগিয়ে নেওয়া যায়, তা নিয়েই আলোচনা হয়েছে।”
ফরাসি সাময়িকী ‘ফ্রান্স ফুটবল’- এর পুরস্কার ব্যালন দ’র অনুষ্ঠানে যেন তারার মেলা বসেছিল। লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে সোমবার রাতে জমকালো অনুষ্ঠানে ছিলেন সাবেক ও বর্তমান তারকা ফুটবলাররা। অনেকেই এসেছিলেন স্বপরিবারে। লামিন ইয়ামাল ও কিলিয়ান এমবাপেকে পেছনে ফেলে প্রথমবারের মতো বর্ষসেরা ফুটবলারের এই পুরস্কার
দুই যুগ পর বর্ষসেরা ফুটবলারের মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার জিতলেন কোনো ইংলিশ ফুটবলার।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা ধরে রাখা ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা জিতেছে সেরা পুরুষ ক্লাবের পুরস্কার।
বিশ্বকাপের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে লেভ ইয়াশিন ট্রফি জিতলেন স্পেনের অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষক।