হোমপেজ লোড হচ্ছে…

চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে টোকিওর পথে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সঙ্গে স্ত্রী জুবাইদা রহমানও আছেন।
রোববার রাত সোয়া ১২টার দিকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে টোকিওর পথে রওনা হন সরকারপ্রধান।
যাত্রা শুরুর এ তথ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বাণিকজ্যিক ফ্লাইটে তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় এ সফর শুরু করেছেন।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে এ সফর করছেন তারেক রহমান। তিনি ১৫ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
সফরসঙ্গীর তালিকায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ আছেন।
বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারি শাকিরুল ইসলাম খান, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, সচিব সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী ও প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনও আছেন সফরসঙ্গী হিসেবে।
প্রতিনিধিদলে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী এবং আমজনতার দলের সাধারণ সম্পাদক মো. তারেক রহমানও আছেন।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ তার কার্যালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও আছেন সফরসঙ্গী হিসেবে।
জাতীয়করণের সময় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

আমন্ত্রিত হয়ে বাংলাদেশে অনেকবার এসেছেন। দেখা হয়েছে তাঁর সঙ্গে প্রায় প্রতিবার। তাঁর বিস্তর অভিজ্ঞতার কথা শুনেছি। তিনি তরুণদের অনুপ্রাণিত করতে নিজের জীবন সংগ্রামের উদাহরণ দিতেন।
“অনুমোদন ছাড়া বিভিন্ন ধরনের ড্রোন ওড়ানোকে আমরা আইনশৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করছি,” বলেন প্রক্টর।
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব— প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপিত হলো রোববার। এ উপলক্ষে ঢাকার বাসাবোর ধর্মরাজিক বৌদ্ধবিহারে আয়োজন করা হয় ফানুস উৎসব। নানা রঙের ফানুসে বর্ণিল হয়ে ওঠে ঢাকার আকাশ। ঢাকঢোল বাজিয়ে উৎসবে অংশগ্রহণ করেন নানা বয়সী মানুষ।