হোমপেজ লোড হচ্ছে…

বলিউডের বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘রামায়ণ’-এর নতুন গান ‘মঙ্গল রং’ মুক্তির পর শুরু হয়েছে সমালোচনা।
ভারতীয় মহাকাব্যভিত্তিক এই চলচ্চিত্রে অরিজিৎ সিং ও শ্রেয়া ঘোষালের গাওয়া গানটির সুরে সুফি ধাঁচের কাওয়ালী সুরের ছোঁয়া রয়েছে বলে দাবি শ্রোতাদের একাংশের।
গানটিতে সুর দিয়েছেন অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক এ আর রহমান। বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তুলে তার সমলাোচনা করছেন অনেকে।
এনডিটিভি জানিয়েছে, সোশাল মিডিয়ায় ‘মঙ্গল রং’ শেয়ার করে, রামায়ণের মত মহাকাব্য অবলম্বনে তৈরি সিনেমার গানে কাওয়ালীর সুর ব্যবহার করা কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে নির্মাতাদের ভাবা উচিত ছিল বলে মনে করছেন অনেকে।
একজন লিখেছেন, “বাল্মীকির রামায়ণে সুফি কাওয়ালীর সুর ঢুকিয়ে দেওয়ায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। সেই সংস্কৃতির সঙ্গে কোনও যোগ নেই এই গানের, গবেষণারও অভাব রয়েছে। পবিত্র আখ্যানকে সাধারণ প্রেমের ছবির মত করে দেখানো বন্ধ হোক।”
আর একজন খোঁচা দিয়ে মন্তব্য করেছেন, “রামায়ণে কাওয়ালী! এ আর রহমান হতাশ করতে কখনও ভোলেন না!”
কেউ কেউ আবার রহমানের বিরুদ্ধে পুরনো সুর নতুন করে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছেন।
একজনের কথা, “ধন্যবাদ এ আর রহমান। রামায়ণ সিনেমার জন্য নিজের পুরনো তামিল কাওয়ালীই আবার ব্যবহার করলেন।”
সিনেমার অন্য গান নিয়েও শ্রোতাদের অনেকে খুব একটা খুশি নন।
একজনের কথায়, “রামায়ণের কোনো গানই আমার ভালো লাগেনি। শুধু সিনেমার আবহসংগীতটা ভালো। বাকি গানগুলো মাঝারি মানের। বিশেষ করে এই গানটির সুরে কোনো উদ্দীপনা নেই। শুদ্ধ সংস্কৃত ভাষার গান ব্যবহার করলে একশ গুণ ভাল হত।”
এ আর রহমানকে এই চলচ্চিত্রের মূল সংগীত পরিচালক হিসেবে নির্বাচন করা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এক ব্যবহারকারী।
তিনি লিখেছেন, “অত্যন্ত হতাশাজনক! এই চলচ্চিত্রের জন্য এ আর রহমান ছিলেন সবচেয়ে ভুল পছন্দ। গানটি শুনতে কাওয়ালীর মত লাগছে, এটি তার আগের ‘রকস্টার’ বা ‘যোধা আকবর’-এর গান এমনকি ‘কুন ফায়া কুন’-এর সুরের কথা মনে করিয়ে দেয়।
বলিউডের পরিচালক নীতেশ তিওয়ারী পরিচালিত ‘রামায়ণ’ সিনেমার প্রথম পর্ব মুক্তি পাচ্ছে আগামী ৫ নভেম্বর। মহাকাব্য অবলম্বনে তৈরি এ সিনেমায় উঠে আসবে রামের বনবাস, রাবণের সীতাহরণ এবং তার পর রাম ও রাবণের বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধের কাহিনী।
গেল এপ্রিলে আসে এই সিনেমার টিজার। নিতেশ তিওয়ারির বহুদিনের পরিকল্পনার ফসল ‘রামায়ণ’। টিজার প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এই পর্যায়ে পৌঁছাতে তার সাত বছর সময় লেগেছে।
তিওয়ারি বলেন, “এই যাত্রা খুবই অনিশ্চিত ও একাকী। কিন্তু দর্শকদের প্রতিক্রিয়া দেখে মনে হচ্ছে, অপেক্ষাটা সার্থক হয়েছে।”
পরিচালকের ভাষ্য ‘রামের যাত্রা ভীষণ মানবিক’ তারা সেই দিকটিই তুলে ধরতে চেয়েছেন।
এ সিনেমায় রাম হয়েছেন রাণবীর কাপুর। অন্যান্য চরিত্রে বলিউড ও দক্ষিণের জনপ্রিয় তারকাদের সমাবেশ ঘটেছে। সাই পল্লবী—‘সীতা’, সানি দেওল ‘হনুমান’, যশ ‘রাবণ’, রবি দুবে ‘লক্ষ্মণ’।
প্রায় ৪ হাজার কোটি রুপি বাজেটের এ সিনেমা ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম ব্যয়বহুল প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অযোধ্যা ও লঙ্কার বিশাল সেট নির্মাণের পাশাপাশি উন্নত প্রযুক্তি ও দৃশ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে।
হিন্দির পাশাপাশি তামিল, তেলুগু, কন্নড় এবং মলয়ালম ভাষাতেও মুক্তি পাবে সিনেমাটি। ‘রামায়ণ’ এর দ্বিতীয় পর্বের মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে ২০২৭ সালের দীপাবলিতে।
মুখ ফসকে বলেছিলেন, ‘শুভ শক্তির অবসান হোক’, রাণবীরের ক্ষমা প্রার্থনা
‘রামায়ণ’: সাত বছর ও ৪ হাজার কোটি রুপি, প্রত্যাশা মেটাবে কতটা
সঞ্জয় কোন তলায় থাকেন বা তার গাড়ি কোনটি, সে সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেনি হামলাকারীরা।
'রামায়ণ': অবশেষে এল মুক্তির তারিখ
যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর তিনি দায়িত্ব সামলাবেন।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে এই উৎসব চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।
এর আগে ভারতের প্রায় ১০টি রাজ্যে আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব এবং শ্রীলঙ্কার মঞ্চেও নাটক পরিবেশন করেছে তারা।