হোমপেজ লোড হচ্ছে…
কম তথ্য থেকে শিখলে এআই ভুল বানান, আড়ষ্ট বাক্য, এমনকি ভুল অনুবাদও করে ফেলতে পারে।
রেমিজিউস রেমী

বাংলা বিশ্বের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত ভাষা, অথচ এআইয়ের জগতে একে প্রায়ই বলা হয় স্বল্প-সম্পদের ভাষা বা লো-রিসোর্স ল্যাঙ্গুয়েজ। কারণটা সহজ: এআই শেখে বিপুল লেখাপত্র পড়ে, আর ইন্টারনেটে ইংরেজির তুলনায় ডিজিটাল বাংলা লেখা এখনো অনেক কম।
একটা উদাহরণ দিই; এক সন্ধ্যায় ব্যস্ততার কারণে তামান্না ফোনে বাংলায় এআইকে বললেন, ‘আমার মেয়ের জন্য একটা চিঠি লিখে দাও।’ চিঠি এল ঠিকই, কিন্তু অনেক বাক্য কেমন যেন যান্ত্রিক, কোথাও আবার শব্দের ব্যবহারও খাপ খাচ্ছে না।
তো সমস্যাটা কোথায়?
কম তথ্য থেকে শিখলে এআই ভুল বানান, আড়ষ্ট বাক্য, এমনকি ভুল অনুবাদও করে ফেলতে পারে। তবে চিত্রটা ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে। দেশে-বিদেশে গবেষকেরা বাংলার জন্য আলাদা মডেল তৈরি করছেন আর বাংলাদেশের খসড়া জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতিমালা (২০২৬–২০৩০) দায়িত্বশীল এবং সবাইকে নিয়ে চলার মতো করে এআই উন্নয়নের কথা বলছে।
আপাতত করণীয় সহজ: ছোট ও পরিষ্কার বাক্যে প্রশ্ন করুন। লেখা নিজে একবার পড়ে ঠিক করে নিন। চাকরির আবেদন, আইনি কাগজ বা অফিসের চিঠির মতো লেখাগুলো তো অবশ্যই। ভাষা যত বেশি ব্যবহৃত হবে, যন্ত্র তত ভালো শিখবে। অর্থাৎ আপনার প্রতিটি সঠিক বাংলা লেখাও ভবিষ্যতের এআইকে সমৃদ্ধ করার একটা ছোট কিন্তু কার্যকর অবদান হতে পারে।
তাহলে এআই কি বাংলাকে শেখাবে, নাকি আমরা এআইকে বাংলা শেখাব? উত্তরটা নির্ভর করছে আমরা ডিজিটাল দুনিয়ায় কতটা ভালো বাংলায় বিষয়বস্তু লিখছি, তার ওপর। এ ঘটনাচক্রে আপনিও হতে পারেন একজন অংশীদার।
লেখক: টেক ব্লগার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর
মঙ্গলবার আলজিয়ার্সে আলজেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী সাইফি গরিবের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎকালে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
মাগুরা পৌরসভার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে কাউন্টারে দায়িত্বরত অবস্থায় শাকের হোসেন (৩৯) নামের যুবদলের এক নেতা মারা গেছেন। আজ বুধবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে পারনান্দুয়ালী টার্মিনালের রয়েল পরিবহনের বাস কাউন্টারে এ ঘটনা ঘটে।
পাহাড়ের সবুজের ফাঁকে কোথাও উজ্জ্বল লাল, কোথাও সোনালি হলুদ, আবার কোথাও নীল-বেগুনি রঙের ঝলক।