হোমপেজ লোড হচ্ছে…
দেশের আট বিভাগে আয়োজিত ‘কবীর-লালন ভাবসংগীত উৎসব’ এর সপ্তম আয়োজন হিসেবে চট্টগ্রামে এ অনুষ্ঠান হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক

অহিংস বিশ্ব বিনির্মাণে ভাব সংগীতের ভেলায় চেপে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হল ‘কবীর-লালন ভাবসংগীত উৎসব’।
চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে শুক্রবার সন্ধ্যায় মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত বংশীবাদক ওস্তাদ আজিজুল ইসলাম।
লালন বিশ্বসংঘের উদ্যোগে ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় দেশের আট বিভাগে আয়োজিত ‘কবীর-লালন ভাবসংগীত উৎসব’ এর সপ্তম আয়োজন হিসেবে চট্টগ্রামে এ অনুষ্ঠান হয়েছে।
উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শেখ সাদী। সভাপতিত্ব করেন লালন বিশ্বসংঘের প্রধান নির্বাহী ও কবীর-লালন গবেষক আবদেল মাননান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ওস্তাদ আজিজুল ইসলাম বলেন, “আগামী দিনে অহিংস বিশ্ব বিনির্মাণে কবীর-লালনের দর্শন মানব জাতিকে সত্যপথ দেখাবে। সন্ত কবীর থেকে লালন ফকির পর্যন্ত সুদীর্ঘ প্রায় ৫০০ বছরের মহতী এক অবিচ্ছিন্ন অভিযাত্রা আজও চলমান। মহাচৈতন্যময় এই জ্যোতির্বিন্দু দুটি এখানে এসে মিলিত হয়ে পরম অভিপ্সায় সূচনা করেছে তরঙ্গাভিঘাতের নতুন এক অভিমুখ।”
“তাদের মহাজাগতিক সুর তরঙ্গের সর্বব্যাপী প্রবল দোলায় ভেসে যায় দেশ, কাল, ভাষা, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, জাতপাতের নামে আরোপিত সব বিভাজন, বিদ্বেষ সংকুল সমস্ত ভ্রান্তির বাঁধ ও বাধার পাহাড়।”
উৎসবে ‘কবীর থেকে লালন: চিরন্তন প্রেমের এক অক্ষয় বন্ধন’ শীর্ষক সংগীতালেখ্য পরিবেশন করেন কবীর-লালন মিউজিক্যাল মিশনের শিল্পীরা।
“কিছু ভালোবাসায় জমে অভিমানী প্রশ্ন। তেমনই এক গল্প দেখা যাবে ভালো আছো তো নাটকে।”
ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রে রঞ্জিত মল্লিক একটি অনন্য নাম। নায়ক হয়ে অভিনয় শুরু করলেও পরে তাকে চরিত্রাভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রে দেখা যায়।
প্রীতির ভাষ্য, বছরের পর বছর একই চরিত্র করেও মঞ্চে নতুন স্তর আবিষ্কার করা যায়, ডালপালা ছড়ানো যায়।
মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণে বৃহস্পতিবার সকালে তিনি মারা যান; বয়স হয়েছিল ৫২ বছর।