হোমপেজ লোড হচ্ছে…

কিছুদিন আগে আমার গ্রামের বাড়িতে একটি বাল্যবিয়ের ঘটনা ঘটে। মেয়েটির বয়স মাত্র ১৫ বছর। সে নবম শ্রেণিতে পড়ত। বড় হয়ে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন ছিল তার।
মেয়েটির পরিবারের কাছ থেকে জানতে পারি, আর্থিক অসচ্ছলতা ও দারিদ্র্যের কারণে তারা মেয়েটিকে বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন। অথচ এই বয়সে তার হাতে থাকার কথা ছিল বই-খাতা, চোখে থাকার কথা ছিল ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন।
বাল্যবিয়ের অনেক ক্ষতিকর দিক রয়েছে। এর ফলে শিশুর শিক্ষাজীবন বাধাগ্রস্ত হয় এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
আমার মতে, বাল্যবিয়ে আমাদের সমাজের একটি গুরুতর সমস্যা, যা দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখনো ঘটে চলেছে। এই সমস্যা বন্ধ করতে পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, মেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেওয়া এবং বাল্যবিয়ের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা জরুরি।
আমি বিশ্বাস করি, সমাজের মানুষ, প্রতিবেশী ও স্থানীয় সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৭। জেলা: ঢাকা।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রজতজয়ন্তী উপলক্ষে ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহর মুখোমুখি হয়েছিলেন নীতি-দার্শনিক অধ্যাপক পিটার সিঙ্গার। সেখানে তারা কার্যকর পরার্থপরতা, পুঁজিবাদ সংস্কার এবং ‘ভালো কাজের জন্য মুনাফা’ নিয়ে আলোচনা করেন।
সঙ্গীর সাধারণ কোনও কথা শুনলেও কি ভেতরে বিরক্তি কাজ করে? মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এর নাম ‘নেগেটিভ সেন্টিমেন্ট ওভাররাইড’।
অতিরিক্ত সেদ্ধ করা রোধ, লবণের সঠিক ব্যবহার ও মসলা সংরক্ষণের কৌশল।
বিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত আলোচনা, সচেতনতামূলক কর্মশালা এবং প্রয়োজনে কাউন্সেলিং সেশনের ব্যবস্থা করা দরকার।