হোমপেজ লোড হচ্ছে…
শিশুদের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।
পড়াশোনার চাপ, পরীক্ষায় ভালো ফল করার প্রত্যাশা, বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্কের সমস্যা কিংবা বুলিংয়ের কারণে অনেক শিশু মানসিক কষ্টের মধ্যে থাকে। কিন্তু লজ্জা, ভয় কিংবা কেউ বুঝবে না এমন আশঙ্কায় তারা নিজেদের সমস্যার কথা কাউকে বলতে পারে না।
আমি মনে করি, অভিভাবকদের পাশাপাশি বিদ্যালয়ও এই বিষয়ে ভূমিকা রাখতে পারে। এ জন্য প্রতিটি স্কুলে এমন একজন শিক্ষক থাকা দরকার যার কাছে শিক্ষার্থীরা নিজেদের সমস্যা নিয়ে কথা বলতে পারবে।
পাশাপাশি বিদ্যালয়ে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত আলোচনা, সচেতনতামূলক কর্মশালা এবং প্রয়োজনে কাউন্সেলিং সেশনের ব্যবস্থা করা দরকার। এতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের অনুভূতি বুঝতে এবং মানসিক কষ্টের সময় সাহায্য চাইতে উৎসাহ পাবে।
আমি চাই, প্রতিটি বিদ্যালয়ে এমন পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক যেখানে একজন শিক্ষার্থী নির্দ্বিধায় বলতে পারবে, ‘আমি ভালো নেই।’ আর তার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার মত কেউ পাশে থাকবে।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: নীলফামারী।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রজতজয়ন্তী উপলক্ষে ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহর মুখোমুখি হয়েছিলেন নীতি-দার্শনিক অধ্যাপক পিটার সিঙ্গার। সেখানে তারা কার্যকর পরার্থপরতা, পুঁজিবাদ সংস্কার এবং ‘ভালো কাজের জন্য মুনাফা’ নিয়ে আলোচনা করেন।
সঙ্গীর সাধারণ কোনও কথা শুনলেও কি ভেতরে বিরক্তি কাজ করে? মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এর নাম ‘নেগেটিভ সেন্টিমেন্ট ওভাররাইড’।
আমি বিশ্বাস করি, সমাজের মানুষ, প্রতিবেশী ও স্থানীয় সংগঠনগুলো এগিয়ে এলে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
অতিরিক্ত সেদ্ধ করা রোধ, লবণের সঠিক ব্যবহার ও মসলা সংরক্ষণের কৌশল।